মাদরাসার বৈশিষ্ট্যসমূহ
১. যুগ শ্রেষ্ঠ আলেম ও ইসলামী চিন্তাবিদদের পরামর্শে পরিচালিত।
২. তালিবে ইলমদের আমল, আখলাক ও পড়াশুনার প্রতি লক্ষ রাখার জন্য আসাতযোয়ে করোম র্সাবক্ষণকি নেগরানী।
৩. বাংলা,গণিত ও ইংরেজীসহ সমকালীন বিষয়ে অভিজ্ঞ শিক্ষকমন্ডলী দ্বারা পাঠদান।
৪. সকল বিভাগের তালিবে ইলমের মাসিক রিপোর্ট অভিভাবকের নিকট পেশ করার ব্যবস্থা রয়েছে।
৫. পড়া-লেখার উন্নতি সাধনের সম্ভাব্য চেষ্টার পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন পরিবেশে শিক্ষার্থীদের থাকা এবং মানসম্মত পুষ্টিকর ও হালাল খাবার - দাওয়ার প্রতি লক্ষ রাখার চেষ্টা করা হয়।
৬. নিজ গবেষণালব্ধ নীতিমালায় নয়, বরং আকাবিরে দেওবন্দের তৈরি নীতিমালার আলোকে পরিচালিত।
৭. শিক্ষার্থীদের রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তা দানের জন্য সম্ভাব্য চেষ্টা ও সুব্যবস্থা রয়েছে।
৮. আসাতেযায়ে কেরামের বড় একটি জামাত তালিবে ইলমদের তা‘লীম ও তারবিয়াত নিয়ে ফিকির করেন।
৯. তালিবে ইলমদের যথাযথ তা‘লীম ও তারবিয়াত প্রদানে অভিভাবকের করণীয় সম্পর্কে আকাবিরীনদের মূল্যবান হেদায়াত পেশ করার জন্য সময়ে সময়ে অভিভাবক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
১০. প্রচলিত সকল প্রকার রাজনৈতিক কর্মকান্ড থেকে মুক্ত পরিবেশ।
১১. আন্তর্জাতিক হাফেজরূপে গড়ে তোলার লক্ষ্যে হরফের উচ্চারণ ও মাশকের ক্ষেত্রে ডিজিটাল সাউন্ড সিস্টেমে বিশ্ব খ্যাত হাফেজদের তেলোওয়াত শ্রবণ এবং মনিটরে দেখানো।
১২. পরিরচালকের নিজ দায়িত্বে হিফজ বিভাগের ছাত্রদের ইয়াদ মজবুত করার লক্ষ্যে সাপ্তাহিক প্রশ্নোত্তর করে থাকেন।
১৩. নূরানী,নাযেরার ছাত্রদের মাসিক পরিক্ষার ব্যবস্থা।
১৪. প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকলে ফোনের মাধ্যমে তাদের অভিভাবককে অভিহিত করা।
১৫. শিক্ষা ও পরিবেশ নিয়ন্ত্রনের জন্য সর্বত্র সি সি ক্যামেরা ব্যবহার।
১৬. অমনোযোগী ছাত্রদেরকে বিশেষ তা’লীমের মাধ্যমে মনোযোগী করে গড়ে তোলা।
১৭. মাদরাসার স্থায়ী নিজস্ব ভবন।
১৮. শিক্ষার গুণগত মান ঠিক রাখার জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যায় ভর্তি গ্রহণ।
১৯. শিশুদের আমল-আখলাক, পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ও সুন্নাতের উপর বিশেষ গুরুত্ব প্রদান।
২০. শিক্ষার্থীদেরকে ধীরে ধীরে মোবাইল কেন্দ্রিক আসক্তি থেকে বের করে বই পড়ার অভ্যাস সহ বিভিন্ন ধরনের অনুপ্রেরণামূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করার মানসিকতা গড়ে তোলা।