মূল কনটেন্টে যান
মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬ ফোন: 01831-513-188
মাদরাসাতুল কুরআন ওয়াসসুন্নাহ ঢাকা

মানোন্নয়ন

মানোন্নয়ন

মানোন্নয়ন এর জন্য মাদরাসা কর্তৃপক্ষ যা যা করেছেন ----- ইনআল্লাহ আরো করে যাবেন

নূরানী,নাযেরা বিভাগ / ক্লাসের ছাত্রদের পড়া লেখার মান উন্নয়নের জন্য কি কি প্লান বাস্তবায়ন করা হয়েছে
১.পড়া লেখার উন্নতির জন্য মাসিক পরীক্ষার সিস্টেম চালু করা হয়েছে।
২.নূরানী বিভাগের ছাত্রদেরকে বিশেষ মাশকের মাধ্যমে  নামাজের সূরাগুলো (সূরা ফিল থেকে নাস পর্যন্ত) মুখস্ত করানো হচ্ছে।
৩. কোন ছাত্র অসুস্থ বা কোন কারণে মাদরাসার উপস্থিত না থাকলে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ যোগাযোগের মাধ্যমে খোঁজ খবর নিচ্ছেন।

৪.সিলেবাস ভিত্তিক শিশু শ্রেণী থেকে চতুর্থ শ্রেণী পর্যন্ত পড়ালেখা করার সু ব্যবস্থা এবং প্রতিটি পরীক্ষার পূর্বে সাজেশন এরও ব্যবস্থাও করা হয়েছে।
৫.আরবি বিষয়েও সিলেবাস এবং সাজেশন ভিত্তিক পড়ালেখার ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

৬.সকল ছাত্রদের পড়ালেখার উন্নতির জন্য ১৫ দিন পর পর পরিচালক কর্তৃক মিটিং এর মাধ্যমে খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে।

৭.২ সাপ্তাহ পর পর ক্বেরাত ও গজল এর প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে এর সাথে সাথে আগ্রহের জন্য পুরস্কারও প্রদানকরা হয়।

৮. মাদরাসা কর্তৃপক্ষ সবসময় নাযেরা বিভাগের ছাত্রদের পড়া লেখার আপডেট খোজ খরব সময় নিচ্ছেন ।

৯. সর্বক্ষণিক  প্রতিষ্ঠানটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার প্রতি খেয়াল রাখা হচ্ছে।

১০.দুর্বল ছাত্রদের প্রতি ওস্তাদগণ বিশেষ নেগরানীর মাধ্যমে পড়ালেখার  খোঁজ খবর রাখছেন।

১১.অতিরিক্ত গরম থেকে বাচার জন্য সিলিংসহ , ছোট কুলিং ফ্যানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

১২. বিশুদ্ধ পানির জন্য ফিলটারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

১৩. ছাত্রদের আমল আখলাক এবং লেখাপড়ার প্রতি আগ্রহ উদ্দীপনার জন্য বিভিন্ন সময় উস্তাদগণ নসিহত করছেন।

১৪.সিলেবাস এবং সাজেশন অনলাইন থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন।

১৫. টিচারগণ নিয়মিত হাতের লেখা দিচ্ছেন কিনা এ ব্যপারে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ খোঁজ খবর রাখছেন।

হিফজ বিভাগের ছাত্রদের পড়া লেখার মান উন্নয়নের জন্য কি কি প্লান বাস্তবায়ন করা হয়েছে 

১.বিভিন্ন দেশের ক্বারীদের মশক শুনিয়ে আমাদের হাফেজ সাহেব সে অনুযায়ী মশক করান।
২.পরিচালক কর্তৃক তথ্য খাতাগুলো সাপ্তাহিকভাবে দেখভাল করা হচ্ছে।
৩.পরিচালক কর্তৃক সাপ্তাহিক সুওয়াল - জওয়াবের সিস্টেম চালু করা হয়েছে। যাতে তারা বাহিরে পড়তে গিয়ে ঘাবড়িয়ে না যান।

৪.তথ্য বই মুল্যায়ণ প্রতিদিন করা হচ্ছে।

৫.কারো পিছনের পড়া কাচা হয়ে গেলে সেগুলো উস্তাদগণ নিজ দায়িত্বে ছাত্রের কাছ থেকে নিয়মতান্ত্রিকভাবে আদায় করে নিচ্ছেন।

৬.হিফজ বিভাগে বাংলা,ইংরেজি,গণিত ইত্যাদির ক্লাস চালু করা হয়েছে।

৭.পরিরচালককে সবকের পারা শেষ হওয়ার পর একদিনের ভিতরেই বিনা লোকমায় শুনিয়ে শেষ করতে হবে।

৮.খতমী ছাত্রগণ দিনে যা উস্তাদের কাছে শুনিয়েছেন প্রতিদিন রাতে তা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে শবিনা হিসেবে শোনাতে হবে।

৯.বৃহস্পতিবার সাথসবক শোনানোর পর শবিনার পারাগুলো  (উস্তাদ আগ থেকেই বন্টন করে দেন) পড়বে এবং শবিনায় পঠিত পারাগুলো থেকে উস্তাদজি প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে পরীক্ষা নেন।

১০. হাফেজ ছাত্রদের বার্ষিক পরীক্ষা বেফাক বোর্ডে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।