এক নজরে মাদরাসার পরিচিতি
মাদরাসার নাম: মাদরাসাতুল কুরআন ওয়াসসুন্নাহ ঢাকা
এর অন্যতম একটি শাখা প্রতিষ্ঠান আল মাবরুর ইসলামিক কিন্ডার গার্ডেন
প্রতিষ্ঠাতা কাল: ১৭ই রমজান ১৪৩৯ হি: , ০২/০৬/১৮ ইং , ১৯/০২/১৪২৫ রোজ শনিবার
ভৌগোলিক অবস্থান: মাদরাসাটি ঢাকার যাত্রাবাড়ীস্থ থানার ৬৫ নং ওয়ার্ড এর ১৩/৮ উত্তর রায়েরবাগ, (বাইতুত তাকওয়া জামে মসজিদ এর উত্তর পাশে) অবস্থিত।
প্রতিষ্ঠাতা, পরিচালক
হাফেজ মাওলানা
মুফতি মুহাম্মদ আবিদ হাসান
নামকরণ: যখন আল্লাহ তা‘আলার ইচ্ছায় একটি দ্বীনি প্রতিষ্ঠান করার ইচ্ছা করলাম, তখন বিজ্ঞ কয়েকজন আলেমকে নিয়ে বাদ ফজর (আমাদের এলাকার বাইতুত তাক্বওয়া জামে মসজিদে বসে ১৭ ই রমজান রোজ শনিবার) পরামর্শ করলাম । নামটি নির্ধারণ করার সাথে সাথে এ বিষয়টিও খেয়াল করা হলো যাতে মাদরাসার নামটি অর্থবহ ও জনসাধারণ সকলেই সহজে বলতে পারেন ও লিখতে পারেন। তখন সকলের পরামর্শের ভিত্তিতে মাদরাসার নাম রাখা হলো, “মাদরাসাতুল কুরআন ওয়াসসুন্নাহ ঢাকা”
পাঠদানের ভাষা
কুরআন হাদিস ও ফিকহের ভাষা আরবি এবং আকাবির আসলাফের রচিত ব্যাখ্যা গ্রন্থ ও অসংখ্য ইলমি গ্রন্থ উর্দু ফার্সিতে লিখিত। তাই কিতাব বিভাগের শিক্ষার্থীদেরকে শরীয়তের জ্ঞান বিজ্ঞানে দক্ষ করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে আরবি উর্দু এবং বাংলা ভাষায় পাঠদান প্রদান করা হয়। যেন দেশ-বিদেশে দাওয়াতি কাজ করা তাদের জন্য সহজ হয়।
প্রতিষ্ঠা কালীন পরিচালক: হাফেজ মাওলানা মুফতি মুহাম্মদ আবিদ হাসান
ধরণ: আবাসিক,অনাবাসিক, ডে- কেয়ার
বর্তমানে চালু থাকা শিক্ষা বিভাগসমূহ:
১. নূরানী
শিশুদের প্রাথমিক ইসলামী শিক্ষার জন্য নূরানী পদ্ধতিতে কুরআন শিক্ষা ও প্রাথমিক বিষয়সমূহ পাঠদান করা হয়। এর পাশাপাশি বাংলা, ইংরেজি ও গণিতের সমন্বয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা প্রদান করা হয়।
বয়স সীমা: ৫-৭ / আসন সংখ্যা: ৬০ টি
২. নাযেরা
সঠিক উচ্চারণ ও তাজবিদ সহকারে কুরআন তেলাওয়াত শেখার বিভাগ। এই বিভাগ সম্পন্ন করে শিক্ষার্থীরা হিফজ বিভাগে যেতে পারে।
বয়স সীমা: ৬-৮ / আসন সংখ্যা: ৪০ টি
৩. হিফযুল কুরআন
পবিত্র কুরআনুল কারীম সম্পূর্ণ মুখস্থ করার বিভাগ। অভিজ্ঞ হাফেজ উস্তাদের তত্ত্বাবধানে বিশেষ পদ্ধতিতে হিফজ সম্পন্ন করা হয়।
বয়স সীমা: ৭-১০ / আসন সংখ্যা: ৬০ টি
৪. হিফযুল কুরআন রিভিশন বিভাগ
৫. কিতাব বিভাগ : তাইসীর,মীযান,নাহবেমীর (পর্যায়ক্রমে)
পূর্ণ কোরআন দেখে পড়তে পারার যোগ্যতা অর্জন করা অথবা হিফয সম্পন্ন করার পর এ বিভাগে পড়োশোন করতে হয়। কোরআন এবং হাদীসের মর্ম ও অর্থ বুঝতে পারা এ বিভাগের মূল উদ্দেশ্য। এ ছাড়াও এ বিভাগে ইসলামী আকাইদ, ফিকাহ, তাফসীর, ইসলামী ইতিহাস, ইসলামী রাষ্ট্র বিজ্ঞানসহ বিভিন্ন ইসলামী শিক্ষায় পদর্শী করে তোলা হয়। পাশাপাশি এ বিভাগের শিক্ষার্থীরা আরবী, ইংরেজী, ফার্সী ও উর্দূ ভাষা শিক্ষায়ও পরদর্শীতা লাভ করতে পারে।
৬. সবাহী মকতব তথা শিশু এবং বয়স্কদের আরবি শিক্ষা
বি:দ্র: উপরোক্ত সকল বিভাগে শিশু শ্রেণি থেকে ৭ম শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা ক্লাসগুলো নিয়মতান্ত্রিকভাবে চলমান।
শিক্ষা ব্যবস্থা:
ভারতের দারুল উলূম দেওবন্দ এবং বাংলাদেশের বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ এর শিক্ষা ব্যবস্থার অনুসরণে অত্র প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হয়।
জনবল ও শিক্ষার্থী :
সম্মানিত শিক্ষক / শিক্ষিকা : ১১ জন
কর্মচারী: ২ জন
পাচিকা : ১ জন
মোট শিক্ষার্থী: ১৩০ জন
আবাসিক শিক্ষার্থী: ৬০ জন
অনাবাসিক শিক্ষার্থী: ৭০ জন
নিরাপত্তা: প্রতিষ্ঠানটি সি সি টিভির আওতাভুক্ত এবং সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার সুব্যবস্থা।
আর্থিক ব্যবস্থাপনা:
মহান আল্লাহ তা‘আলার উপর তাওয়াক্কুল করে কওমী মাদরাসাগুলো মূলত সরকারি অনুদান ছাড়া (ছাত্রদের অভিভাবক থেকে যৎসামান্য হাদিয়া গ্রহণের মাধ্যমে) সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত আর্থিক সহায়তা ও দানীশীল ব্যক্তিদের অনুদানে পরিচালিত হয়।
যোগাযোগ: 01831-513-188
E- mail: mqw.bd2020@gmail.com
ওয়েবসাইট: WWW.